রোবট গাড়ি
রোবট গাড়ির নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় হলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ট্রান্সফরমার’ মুভিটির কথা। মুভিতে দেখা যায় দ্রুত বেগে ছুটে চলা বিএমডব্লিউ হঠাৎ সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে রোবটের আকৃতি
ব্রিটিশ আমলের একটি কৌতুক দিয়ে শুরু করি। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর গিয়েছেন নাপিতের দোকানে। এক ফিরিঙ্গি সাহেব ও গিয়েছেন সেখানে চুল কাটাতে। তো চুল কাটার সময়ে কাচিতে একটু টান পড়ায় ফিরিঙ্গি সাহেব রেগে গিয়ে নাপিতকে বললেন
মহাত্মা গান্ধীর জীবনীর উপর দুনিয়াজোড়া খ্যাতিমান সিনেমা পরিচালক রিচার্ড অ্যাটেনবরো নির্মিত ‘গান্ধী’ ছবিটি ১৯৮২ সালের ৩ ডিসেম্বর লন্ডনে মুক্তি পেলে, ছবিটির প্রথম প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটেনের প্রিন্স চার্লস এবং তাঁর তখনকার স্ত্রী প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়না। দিল্লিতে ৩০ নভেম্বর এই ছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে
প্রায় দুই হাজার বছর আগে ক্যাসিনোর উত্থান। শুরুর দিকে অনিয়ন্ত্রিত জুয়ার আসরের কারণে এসব ক্যাসিনোর উত্পত্তি। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জুয়ার আসরে চলে ক্যাসিনোর রমরমা ব্যবসা। উড়ানো হয় হাজার হাজার কোটি টাকা। গোটা বিশ্বে অসংখ্য ক্যাসিনো থাকলেও বিশ্বখ্যাত কিছু সেরা ক্যাসিনো রয়েছে।
ভারতের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দিলীপ সাংঘভি। সান ফার্মার প্রতিষ্ঠাতা এখন ভারতের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী। বিশ্বের ৪৪তম শীর্ষ বিলিওনিয়ার হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছেন ফোর্বস ম্যাগাজিনে। ১৬.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মালিক দিলীপ সাংঘভিকে ভারতে ওষুধশিল্পের প্রাণ বলা হয়। তার গবেষণাগার জাদুকরী ওষুধের সন্ধান দিয়ে চলেছে
সহজ-সরল, বিনয়ী ও মিষ্টভাষী একজন মানুষ। এক কথায় ভীষণ মিশুক। কথা বলতে গেলেই কখনো উদাহরণ টানেন পাশ্চাত্যের জ্ঞানগুরুদের, কখনো ইসলামের কালজয়ীদের, কখনো বা মানবধর্মের মহামানবদের। নিজেও জীবনযাপন করেন সৎ ও সত্যতার নিরেট এক প্লাটফরমে। খুঁজে বেড়ান জীবনের মানে। মানুষটিকে কেউ ডাকেন সুফি সাহেব, কেউ বা মিজান সাহেব।
রাজপ্রাসাদ। একসময় ছিল রাজার বাড়ি ও রাজকার্যের কেন্দ্র। এখানে বসেই রাজ্য শাসন করতেন রাজারা। সময়ের পরিক্রমায় রাজপ্রথা বিলীন হওয়ার পথে। কিন্তু রাজপ্রাসাদগুলো টিকে রয়েছে কালের সাক্ষী হয়ে। অতিকায় রাজপ্রাসাদগুলো স্থাপত্যশৈলীতে অনন্য। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা রাজপ্রাসাদগুলো জানান দিয়ে যায়
জন এফ (ফিটজেরাল্ড) কেনেডি আমার প্রিয় বিশ্বনেতাদের একজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জন কেনেডি ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রিপাবলিকান পার্টির মনোনীত প্রার্থী রিচার্ড এম (মিলহাউস) নিক্সনকে পরাজিত করে নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৯৬০ সালে। নিক্সন তখন ছিলেন প্রেসিডেন্ট