শ্রীনিবাস রামানুজনএক আকুল মা ১৯০৬ সালের সেপ্টেম্বরের ২ তারিখে দ্য হিন্দু পত্রিকায় ‘হারানো বালক’ শিরোনামে একটি বিজ্ঞপ্তিতে দিয়েছেন, আনুমানিক ১৮ বছরের এক তরুণ ভুল-বোঝাবুঝির কারণে বাসা থেকে চলে গেছে। কয়েক দিন আগেও সে কুম্বাকোনাম কলেজে পড়ত।
বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬
বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬
সর্বোচ্চ শাস্তি ও মানবাধিকার | ফাহিম আহমেদ
মৃত্যুদন্ডাদেশ একটি নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অধঃপতিত শাস্তি। বর্তমান বিশ্বের অর্ধশতকেরও বেশি রাষ্ট্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অন্যতম একটি ধরণ হলো রাষ্ট্র কর্তৃক সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান হিসেবে মৃত্যুদন্ডাদেশের আইন। ১৯৪৮ সালে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত হওয়ার
শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬
বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
হলোকাস্ট, একাত্তরের গণহত্যা ও ইতিহাস বিকৃতিরোধে আইন | শওগাত আলী সাগর
প্রফেসর বার্নার্ড লুইস আন্তর্জাতিক অঙ্গনের একজন বিখ্যাত মানুষ। যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যার মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে তিনি কেবল লেখালেখিই করেন তা নয়, পশ্চিমের বিদগ্ধ সমাজে তাঁকে নেতৃস্থানীয় ইতিহাসবিদ হিসেবে গণ্য করা হয়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট সিনিয়র বুশও তাঁর নীতি-নির্ধারণী বিষয়ে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির এই অধ্যাপকের পরামর্শ চেয়ে বসতেন যখন তখন।
তো, এই লুইস একবার ফরাসী পত্রিকা Le Monde তে দেওয়া এক
তো, এই লুইস একবার ফরাসী পত্রিকা Le Monde তে দেওয়া এক
বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৬
একাত্তরে বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ড | সাব্বির হোসাইন
পুরো একাত্তর জুড়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাঙালী জাতিকে মেধাশূণ্য করার জন্য বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে। এই অপকর্মে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সরাসরি সাহায্য করে রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বাহিনী।
পরিকল্পিতভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাঙালী-বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে। এই উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আল-শামস, আল-বদর,
পরিকল্পিতভাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাঙালী-বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে। এই উদ্দেশ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আল-শামস, আল-বদর,
মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৬
সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৬
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬
জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশের গণহত্যা | মোজাম্মেল খান
ইতিহাসের অসংখ্য নজির সত্ত্বেও, ‘গণহত্যা’ শব্দটি আইনি পণ্ডিত পোলিশ ইহুদি রাফায়েল লেমকিন ১৯৪৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পাওয়ার পর সৃষ্টি করেন। এর আগে এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এরপর, ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘে সর্বসম্মতভাবে
গণহত্যার একটি কনভেনশন গৃহীত হয় যেটিতে একে এমন একটি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় যার সংজ্ঞা ছিল নিম্নরূপ:
“সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো জাতীয়, পৌত্তলিক গোত্র এবং ধর্মীয়ও গোষ্ঠীকে ধ্বংসের অভিপ্রায়ে সংঘটিত।”
গণহত্যার একটি কনভেনশন গৃহীত হয় যেটিতে একে এমন একটি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় যার সংজ্ঞা ছিল নিম্নরূপ:
“সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো জাতীয়, পৌত্তলিক গোত্র এবং ধর্মীয়ও গোষ্ঠীকে ধ্বংসের অভিপ্রায়ে সংঘটিত।”
