“সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
— অনুচ্ছেদ ২৭, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতার এক বছরের মধ্যেই গৃহীত সংবিধানের মূলনীতি রচিত হয়েছিল কয়েকটি মহান
জেমস মিশেল এবং ব্রুস জেসন দুজনেই মার্কিন মনস্তত্ববিদ। সে দেশের গোয়েন্দা সংস্থা ‘সিআইএ’ বন্দিদের নির্যাতনের কলাকৌশল শেখাতে এ দুজনকে নিয়োগ দিয়েছিল। কিন্তু তারা শুধু শেখানোর কাজটি করেননি, নিজেরা নির্যাতনে অংশও নিয়েছেন।
ইতিহাসের অসংখ্য নজির সত্ত্বেও, ‘গণহত্যা’ শব্দটি আইনি পণ্ডিত পোলিশ ইহুদি রাফায়েল লেমকিন ১৯৪৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় পাওয়ার পর সৃষ্টি করেন। এর আগে এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। এরপর, ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘে সর্বসম্মতভাবে
গণহত্যার একটি কনভেনশন গৃহীত হয় যেটিতে একে এমন একটি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় যার সংজ্ঞা ছিল নিম্নরূপ:
“সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কোনো জাতীয়, পৌত্তলিক গোত্র এবং ধর্মীয়ও গোষ্ঠীকে ধ্বংসের অভিপ্রায়ে সংঘটিত।”
এমন একটি পৃথিবী যদি হতো, যেখানে কোনো যুদ্ধ নেই, নেই ক্ষুধা বা দারিদ্র্য, নেই মানুষের মধ্যে বিভেদ। এমনকি নেই কোনো ধর্ম বা দোজখ বা বেহেশত বলতে কিছু। জন লেনন বিশ্বের কাছে অতি সাধারণ এমন একটি প্রশ্ন তোলেন। বলেন, একটু চেষ্টা করলেই এমন কিছু ভাবা যায়। আরও বলেন, এমন চিন্তাধারায় তিনি একা নন; তাঁর মতো অনেকেই এমন ভেবে থাকেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর সত্তর দশকের শুরুতে যখন ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘ একটি রক্তাক্ত লড়াইয়ে জড়িত, যেটিকে এখনো অনেকে উল্লেখ
‘‘আপনি কিংবা আপনারা পাকিস্তানকে ঘৃণা করেন ভালো কথা, কিন্তু আজকে সকালেই পাকিস্তানের যে শিশু আলোর মুখ দেখল, ১৯৭১ সালের গণহত্যার সঙ্গে তার সম্পর্ক কী? কিংবা যে শিশু এখনও জন্ম নেয়নি, হয়তো কাল জন্ম নেবে পাকিস্তানের মাটিতে, তার অপরাধ কী? পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া নিশ্চয়ই অপরাধ নয়। তাহলে একাত্তর-পরবর্তী পাকিস্তানি প্রজন্মকে কেন আমাদের ঘৃণা করতেই হবে?”
খুব সরল, স্বাভাবিক এবং যৌক্তিক কিছু প্রশ্ন। এই প্রশ্নগুলো আছে
বাংলাদেশকে কোন দেশ প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল? কেউ বলছে ভারত, কেউ বলছে ভুটান। যারা ভুটানের পক্ষে, তাদের কারও কারও সোর্স আকাশবাণী; কারও পাঠ্যবই। আবার কেউ কেউ এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রাধান্য দিয়ে হুংকার দিচ্ছেন।
যারা আকাশবাণীর রেফারেন্স দিচ্ছেন তাদের দাবি– তারা নিজেরা ইভা নাগের সুললিত কণ্ঠে শুনেছেন যে, ৩ ডিসেম্বরেই নাকি ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাকিরা কেউ পড়েছেন পাঠ্যবইয়ে, কেউ-বা বিসিএস পরীক্ষা-প্রস্তুতির সাধারণ জ্ঞান বইয়ে। কেউ লিংক দিচ্ছেন কিছু ওয়েবসাইটের, যেখানে ভুটান ৬ ডিসেম্বর এবং ভারত
১৭৯১ মোৎসার্ট যখন প্রয়াত হন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ৩৫। সে যুগের বিবেচনায়ও তো একে অকাল বিদায়ই বলতে হবে। কিন্তু এই মাত্র সাড়ে তিন দশকব্যাপী জীবনপরিক্রমায় যে অনন্য কীর্তি তিনি রেখে গেছেন—কি সংখ্যায়, কি উৎকর্ষের বিচারে—তা প্রায় অবিশ্বাস্য। সোনাটা, সিম্ফনি, মাস, চেম্বার মিউজিক, কনসার্ট, অপেরা—কোথায় পড়েনি তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর! পাশ্চাত্য
‘একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি।
হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে জগৎবাসী।
কলের বোমা তৈরি করে
দাঁড়িয়ে ছিলাম রাস্তার ধারে মাগো,
বড়লাটকে মারতে গিয়ে
মারলাম আরেক ইংল্যান্ডবাসী।’